রংপুর ও নীলফামারী জেলার মধ্যে বাস চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বাস শ্রমিকদের আর্থিক লেনদেন নিয়ে বিরোধের কারণে। নীলফামারী জেলা বাস-মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম এই ঘোষণা দেন।
রংপুর থেকে নীলফামারী, সৈয়দপুর, কিশোরগঞ্জ, জলঢাকা, ডিমলা ও ডোমার রুটে সব বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে ঢাকাগামী বাস এবং দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় জেলা সমিতির বাস চলাচল স্বাভাবিক আছে।
বাস শ্রমিকদের আর্থিক লেনদেন নিয়ে বিরোধের কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুড়া বাস শ্রমিক ইউনিয়ন উপ-কমিটির দপ্তর সম্পাদক সফিকুল ইসলামের সঙ্গে শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা নিয়ে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে রংপুর বাস মিনিবাস মালিক সমিতির কয়েকজন নেতাকর্মী তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন ও লাঞ্ছিত করেন।
বাস চলাচল বন্ধ থাকার কারণে নীলফামারী ও আশপাশের রুটে যাত্রীদের ভোগান্তি বেড়েছে। অনেককে বিকল্প পরিবহন ব্যবহার করতে হচ্ছে। সৈয়দপুরের বাসিন্দা আজগর আলী বলেন, ডাক্তার দেখানোর জন্য রংপুর যাবো। সকাল সাড়ে ১০টায় ডাক্তারের সিরিয়াল রয়েছে। সৈয়দপুর-নীলফামারী রুটের বাস বন্ধ, তাই রংপুরগামী দিনাজপুরের বাসের অপেক্ষায় আছি।
একই অভিজ্ঞতার কথা জানান সোবহান ইসলাম, জাহানারা বেগম, রুমা আক্তারসহ রংপুরমুখী আরও যাত্রীরা। অন্যদিকে, এই পরিস্থিতিতে রংপুর অঞ্চলের পরিবহন খাতে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা জানিয়েছেন, মালিক সমিতির পক্ষ থেকে শ্রমিকদের ওপর হামলার ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া এবং শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও ন্যায্য পাওনা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলেও তারা দাবি করেন।
বাস শ্রমিক আনারুল ইসলাম বলেন, আমরা বাসে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করি। কিন্তু মালিক সমিতি আমাদের এভাবে নির্যাতন করলে কীভাবে কাজ করবো? শ্রমিক নির্যাতনের বিচার চাই। নীলফামারী জেলা বাস মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমাদের শ্রমিক নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় আমরা কঠোর ভাষায় নিন্দা জানাই। আমরা শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও ন্যায্য পাওনা নিশ্চিত করতে চাই।
এই পরিস্থিতি রংপুর অঞ্চলের পরিবহন খাতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে। শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা আশা করছেন যে প্রশাসন এই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে হস্তক্ষেপ করবে। তারা আরও বলেন যে শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও ন্যায্য পাওনা নিশ্চিত করা হলে তারা আন্দোলন বাতিল করতে পারে। এই পরিস্থিতি রংপুর অঞ্চলের পরিবহন খাতে অস্থিরতা তৈরি করেছে এবং যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়িয়েছে।
এই পরিস্থিতি সমাধানের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা আশা করছেন যে প্রশাসন এই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে হস্তক্ষেপ করবে। তারা আরও বলেন যে শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও ন্যায্য পাওনা নিশ্চিত করা হলে তারা আন্দোলন বাতিল করতে পারে। এই পরিস্থিতি রংপুর অঞ্চলের পরিবহন খাতে অস্থিরতা ত



