মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার একটি নতুন আইন প্রণয়ন করেছে। গত চার বছর ও আড়াই বছরে মানব পাচারের ৯৫% মামলায় বিনা দোষে ছাড়প্ত্র দেওয়া হয়েছে।
এই নতুন আইনটি মানব পাচার ও অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধ ও দমন সংক্রান্ত অধ্যাদেশ-২০২৫ নামে পরিচিত। এই অধ্যাদেশটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এতে মানব পাচারের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে।
এই অধ্যাদেশ অনুসারে, মানব পাচারের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তদন্তকালে তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ, সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত এবং ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা যেতে পারে। এছাড়াও এই অধ্যাদেশটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে মানব পাচারের বিষয়টিকেও অবহিত করে।
গত কয়েক বছরে মানব পাচারের মামলাগুলোর বিচার বিভাগে যে অবস্থা বিরাজ করছে তা খুবই উদ্বেগজনক। ২০২০ সালে মানব পাচারের ১৪টি মামলা বিচার বিভাগে দাঁড়িয়েছিল, যার মধ্যে ১৩টিতে বিনা দোষে ছাড়প্ত্র দেওয়া হয়েছিল। ২০২১ সালেও একই অবস্থা বিরাজ করেছিল। ২০২২ সালে মানব পাচারের ৩৪টি মামলা বিচার বিভাগে দাঁড়িয়েছিল, যার সকলকেই বিনা দোষে ছাড়প্ত্র দেওয়া হয়েছিল।
এই অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে নতুন আইনটি প্রণয়ন করা হয়েছে। এই আইনটি মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে। এই আইনটি মানব পাচারের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে।
এই আইনটি প্রণয়নের মাধ্যমে মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এই আইনটি মানব পাচারের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে। এই আইনটি প্রণয়নের মাধ্যমে মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
মানব পাচারের বিরুদ্ধে সকলকে সচেতন হতে হবে। মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। মানব পাচারের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।
মানব পাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য সকলকে একত্রিত হতে হবে। মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য সকলকে একত্রিত হতে হবে। মানব পাচারের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সকলকে একত্রিত হতে হবে।



