সরকারি হাসপাতালগুলোতে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের কর্মবিরতির কারণে রোগীরা ভোগান্তির শিকার হয়েছে। তারা তাদের পদমর্যাদা ১০ গ্রেডে উন্নীত করার দাবিতে এই কর্মবিরতি পালন করেছে। এই কর্মবিরতির কারণে রোগীদের রক্ত পরীক্ষা, এক্সরে, সিটি স্ক্যান ও এমআরআই করাতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।
মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা বলছেন, তাদের পদমর্যাদা বাড়ানো না হলে ভবিষ্যতেও আন্দোলনের পথ অব্যাহত থাকবে। তারা দাবি করেছেন, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার ও নার্সদের ন্যায় তাদের পদমর্যাদা ১০ গ্রেডে উন্নীত করা হলে পেশাদার মান উন্নয়ন এবং সেবা প্রদান আরও কার্যকর হবে।
সরকারি হাসপাতালগুলোতে কর্মবিরতি পালিত হওয়ায় রোগীরা নিজ নিজ সেবা কেন্দ্রে সঠিক সময়ে পরীক্ষা করাতে ব্যর্থ হয়েছেন। বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে পরীক্ষা ও সেবা স্বাভাবিকভাবে চলছিল। এই কর্মসূচি স্বাস্থ্য খাতে দীর্ঘদিন ধরে চলমান সমস্যা সমাধানে একটি সংকেত হিসেবে ধরা হচ্ছে।
রোগীদের ভোগান্তি কমানোর জন্য সরকারি হাসপাতালগুলোতে কর্মবিরতি শীঘ্রই শেষ হওয়া উচিত। স্বাস্থ্যকর্মীদের দাবি মেটাতে সরকারকে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। এতে রোগীদের সেবা প্রদান আরও কার্যকর হবে।
সরকারি হাসপাতালগুলোতে কর্মবিরতির কারণে রোগীরা যে ভোগান্তির শিকার হয়েছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সরকারকে এই সমস্যা সমাধানের জন্য তাড়াতাড়ি পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। রোগীদের সেবা প্রদানের জন্য স্বাস্থ্যকর্মীদের দাবি মেটাতে হবে।
স্বাস্থ্যকর্মীদের দাবি মেটানোর জন্য সরকারকে কী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত? রোগীদের সেবা প্রদানের জন্য কর্মবিরতি শেষ হওয়া কতটা গুরুত্বপূর্ণ? আপনার মতামত জানান।



