নাইজেরিয়ার একটি বোর্ডিং স্কুল থেকে ১০ দিন আগে অপহরণকারীরা ৩০০ জন শিক্ষার্থীকে অপহরণ করেছে। এই ঘটনার পর থেকে অপহরণকারীদের ভয়ে অনেক পিতামাতা কথা বলতে ভয় পাচ্ছেন। তারা ভয় পাচ্ছেন যে অপহরণকারীরা তাদের কথা শুনলে তাদের বাড়িতে এসে তাদেরকে অপহরণ করে নিয়ে যাবে।
নাইজেরিয়ার নাইজার রাজ্যের পাপিরি গ্রামের সেন্ট মেরির ক্যাথলিক স্কুল থেকে অপহরণকারীরা শিক্ষার্থীদের অপহরণ করেছে। অপহরণ করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে কয়েকজনের বয়স মাত্র পাঁচ বছর। এখনও পর্যন্ত ২৫০ জন শিক্ষার্থী নড়াচড়া করছে না। সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন যে এই সংখ্যা অতিরঞ্জিত।
নাইজেরিয়ার উত্তর ও মধ্য অঞ্চলে বেশ কয়েকটি অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। এই অপহরণগুলোর জন্য অপরাধী গ্যাংগুলোকে দায়ী করা হচ্ছে। এই গ্যাংগুলো অপহরণ করে ফিদিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করে।
পাপিরি গ্রামের একজন বাসিন্দা বলছেন যে তাদের গ্রাম অপহরণকারীদের আশেপাশে। তিনি বলছেন যে অপহরণকারীরা তাদের গ্রাম থেকে মাত্র তিন ঘণ্টার দূরত্বে লুকিয়ে আছে। তিনি বলছেন যে তারা অপহরণকারীদের আশ্রয়স্থল জানেন, কিন্তু সেখানে যেতে পারেন না কারণ এটা খুব বেপরোয়া।
অপহরণকারীরা যে শিক্ষার্থীদের অপহরণ করেছে তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা খুব খারাপ। তাদের অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েছে বা মারা গেছে। অপহরণকারীরা ফিদিয়ে নেওয়ার জন্য টাকা চাইছে। কিন্তু অনেক পরিবার ফিদিয়ে দিতে পারছে না।
নাইজেরিয়ার সরকার অপহরণকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে। তারা অপহরণকারীদের ধরার জন্য অভিযান চালাচ্ছে। কিন্তু অনেক পরিবার এখনও তাদের সন্তানদের মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
অপহরণকারীরা যে শিক্ষার্থীদের অপহরণ করেছে তাদের মধ্যে অনেকেই এখনও নড়াচড়া করছে না। তাদের পরিবার তাদের মুক্তির জন্য অপেক্ষা করছে। নাইজেরিয়ার সরকার অপহরণকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে। কিন্তু অনেক পরিবার এখনও তাদের সন্তানদের মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
নাইজেরিয়ার অপহরণের ঘটনা খুবই উদ্বেগজনক। অনেক পরিবার তাদের সন্তানদের মুক্তির জন্য অপেক্ষা করছে। নাইজেরিয়ার সরকার অপহরণকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে। কিন্তু অনেক পরিবার এখনও তাদের সন্তানদের মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।



