পোপ লিও চতুর্দশ প্রথমবারের মতো একটি মসজিদ পরিদর্শন করেছেন। তিনি তুরস্কের ইস্তাম্বুলের ঐতিহাসিক নীল মসজিদ পরিদর্শন করেন। এই মসজিদটি সপ্তদশ শতাব্দীর অটোমান স্থাপত্যের একটি অনন্য নিদর্শন।
পোপ লিও মসজিদে প্রবেশের আগে তার জুতা খুলে ফেলেন। তিনি মসজিদের ভিতরে ঘুরে দেখেন, কিন্তু সেখানে প্রার্থনা করেননি। মসজিদের মুয়াজ্জিন আশগিন তুনকা জানান, তিনি পোপকে প্রার্থনা করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন, কিন্তু পোপ তা প্রত্যাখ্যান করেন।
পোপ লিও হলেন নীল মসজিদ পরিদর্শনকারী তৃতীয় পোপ। এর আগে ২০১৪ সালে পোপ ফ্রান্সিস ওই মসজিদে দুই মিনিট নীরবে প্রার্থনা করেছিলেন। তার আগে ২০০৬ সালে পোপ বেনেডিক্ট ষোড়শ সেখানে কিছুক্ষণ প্রার্থনা করেছিলেন।
পোপ লিওর এই সফরটি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। এটি মুসলিম বিশ্বের সাথে ক্যাথলিক চার্চের সম্পর্ক উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। পোপ লিও তুরস্কের স্থানীয় খ্রিস্টান চার্চগুলোর নেতাদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। এরপর তিনি ইস্টার্ন অর্থোডক্স খ্রিস্টানদের আধ্যাত্মিক নেতা প্যাট্রিয়ার্ক বার্থোলোমিউ প্রথমের সঙ্গে সেন্ট জর্জের প্যাট্রিয়ার্কাল চার্চে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
পোপ লিওর এই সফরটি আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এটি বিশ্বের বিভিন্ন ধর্মীয় গোষ্ঠীর মধ্যে সংলাপ ও বোঝাপড়ার প্রচারে সাহায্য করবে। পোপ লিওর এই পদক্ষেপটি বিশ্ব শান্তি ও সহযোগিতার জন্য একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ।
পোপ লিওর সফরটি তুরস্কের সাথে ভ্যাটিকান সিটির সম্পর্কের উন্নয়নেও সাহায্য করবে। এটি দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় বিনিময়ের সুযোগ তৈরি করবে। পোপ লিওর এই পদক্ষেপটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও ধর্মীয় গোষ্ঠীর মধ্যে বোঝাপড়া ও সহযোগিতার প্রচারে সাহায্য করবে।
পোপ লিওর সফরটি বিশ্বের বিভিন্ন ধর্মীয় গোষ্ঠীর মধ্যে সংলাপ ও বোঝাপড়ার প্রচারে সাহায্য করবে। এটি বিশ্ব শান্তি ও সহযোগিতার জন্য একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। পোপ লিওর এই পদক্ষেপটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও ধর্মীয় গোষ্ঠীর মধ্যে বোঝাপড়া ও সহযোগিতার প্রচারে সাহায্য করবে।



