ট্রান্সকম গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সিমিন রহমানের বিরুদ্ধে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ১০০ কোটি টাকা ঘুষ দেওয়ার অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন।
এই অভিযোগের তদন্তের জন্য দুদক একজন উপপরিচালককে দায়িত্ব দিয়েছে। দুদকের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তদন্ত শুরু হয়েছে।
ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও সিমিন রহমানের বিরুদ্ধে হত্যা, শেয়ার জালিয়াতি ও প্রতারণার একাধিক মামলা রয়েছে। দুদক জানিয়েছে, সিমিন রহমান শেখ হাসিনাকে ১০০ কোটি টাকা ঘুষ দেওয়ার অভিযোগের তদন্ত করছে।
দুদকের এক কর্মকর্তা বলেছেন, অভিযোগটি তদন্তে প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির সম্পৃক্ততা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
দুদক ৫ নভেম্বর সংস্থার উপপরিচালক এ কে এম মাহবুবুর রহমানকে তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেয়। মাহবুবুর রহমান জানিয়েছেন, তদন্তের কাজ চলমান রয়েছে।
দুদকের অনুসন্ধান ও তদন্ত-২ এর পরিচালককে এ অনুসন্ধান কাজের তদারককারী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
প্লট দুর্নীতির অভিযোগে দুদকের তিন মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত ২১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে।
দুদক শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা, অনুসন্ধান ও তদন্ত করছে। এর মধ্যে অন্তত ১৫টি মামলা করেছে সংস্থাটি।
দুদকের অভিযোগগুলোর বিষয়ে সিমিন রহমানের বক্তব্য জানতে পারেনি।
দুদকের তদন্ত কাজ চলমান রয়েছে। তদন্তের ফলাফল জানার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
এই অভিযোগের তদন্ত করছে দুদক। তদন্তের ফলাফল জানার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।



