তুরস্কের মানববিহীন যুদ্ধবিমান ‘বায়রাক্টর কিজিলেলমা’ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। এটি বিশ্বের প্রথম মানববিহীন যুদ্ধবিমান যা এই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।
তুর্কি প্রতিরক্ষা সংস্থা বায়কার-এর এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে, রোববার এই ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রটি নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করেছে, যা ইতিহাস তৈরি করেছে।
পরীক্ষার সময় পাঁচটি এফ-১৬ যুদ্ধবিমানও মানুষবিহীন যুদ্ধবিমান ‘কিজিলেলমা’র সঙ্গে উড়েছিল। এগুলো কিজিলেলমার সঙ্গে ‘যৌথ ক্রু-আনক্রু অপারেশনে ফর্মেশন ফ্লাইট’ পরিচালনা করে। এটি ভবিষ্যতের বিমান যুদ্ধের নতুন ধারণা প্রদর্শন করে।
নিম্ন রাডার ক্রস-সেকশন এবং উন্নত সেন্সরের কারণে কিজিলেলমার যুদ্ধবিমানটি দূর থেকে শত্রু বিমানকে দেখা না গেলেও সনাক্ত করতে সক্ষম। এই প্রযুক্তি ভবিষ্যতে বিমান যুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
২০০৩ সাল থেকে সম্পূর্ণ স্ব-অর্থায়নে পরিচালিত ‘বায়কার’ ড্রোন রপ্তানিতে বিশ্বব্যাপী শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠেছে। কোম্পানিটি ২০২৩ সালে ১.৮ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয় করেছে এবং ২০২৪ সালেও একই ধারা অব্যাহত রাখে। কোম্পানিটির মোট আয়ের ৯০ শতাংশই আসে রপ্তানি থেকে।
এই প্রযুক্তি ভবিষ্যতে বিমান যুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এটি বিমান যুদ্ধের নতুন ধারণা প্রদর্শন করে এবং ভবিষ্যতে বিমান যুদ্ধের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনতে পারে।
তুরস্কের এই মানববিহীন যুদ্ধবিমান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এটি ভবিষ্যতে বিমান যুদ্ধের ক্ষেত্রে একটি নতুন ধারণা প্রদর্শন করে এবং বিমান যুদ্ধের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনতে পারে।
এই প্রযুক্তি ভবিষ্যতে বিমান যুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এটি বিমান যুদ্ধের নতুন ধারণা প্রদর্শন করে এবং ভবিষ্যতে বিমান যুদ্ধের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনতে পারে।



