মধ্য আফ্রিকার দেশ ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে একটি নৌকাডুবির ঘটনায় অন্তত ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। নৌকাটিতে প্রায় ২০০ জন যাত্রী ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। উদ্ধারকাজ এখনও চলছে।
মাই-নদোম্বে প্রদেশের গভর্নর এনকোসো কেভানি লেবন জানিয়েছেন, শুক্রবার তারা ৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছেন। শনিবার পানিতে ভেসে ওঠা আরও দশজনের মরদেহ পাওয়া গেছে। মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯। জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে ৮২ জনকে।
কঙ্গোর মাই-নদোম্বে হ্রদে হঠাৎ দমকা বাতাসে নৌকাটি ডুবে গেলে এই ঘটনা ঘটে। গত বৃহস্পতিবার রাতে কিরি গ্রাম থেকে রাজধানী কিনশাসার উদ্দেশ্যে যাত্রা করার পর মাই-নদোম্বে হ্রদে নৌকাটি ডুবে যায়। কঙ্গোর গ্রামীণ এলাকাগুলোতে নদীপথই প্রধান যোগাযোগ ব্যবস্থা। তবে নৌযানগুলো অনেক সময়ই পুরোনো ও অর্ধ-ব্যবহারযোগ্য হওয়ায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে থাকে।
গভর্নর এনকোসো কেভানি লেবন জানিয়েছেন, হ্রদে বয়ে যাওয়া দমকা বাতাসে নৌকার দুই ইঞ্জিনের একটি নষ্ট হয়ে যায়। এরপরই নৌকাটি উল্টে যায়। সরকারের আরেক কর্মকর্তা ফ্রেডি বোনজেকে ইলিকি জানিয়েছেন, নৌকাটিতে অন্তত ২০০ যাত্রী ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। উদ্ধারকাজ এখনও চলছে।
গত সেপ্টেম্বর মাসে কঙ্গোর অন্য দুটি এলাকায় নদীপথে পৃথক নৌকাডুবিতে প্রায় ২০০ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন। মাই-নদোম্বে হ্রদে অস্থায়ী কাঠের নৌকা চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারির প্রস্তাব গভর্নর এনকোসো কেভানি লেবন আগেই দিয়েছিলেন, কিন্তু তা কার্যকর হয়নি।
কঙ্গোতে নৌকাডুবির ঘটনা প্রায়ই ঘটে থাকে। দেশটির গ্রামীণ এলাকাগুলোতে নদীপথই প্রধান যোগাযোগ ব্যবস্থা। তবে নৌযানগুলো অনেক সময়ই পুরোনো ও অর্ধ-ব্যবহারযোগ্য হওয়ায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। এই ঘটনার পর কঙ্গো সরকারকে নৌযানগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করার জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে।



