কৃঞ্চ সাগরে একটি জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। জাহাজটি মিশরের সুয়েজ বন্দর থেকে রাশিয়ার নভোরোসিস্ক বন্দরে যাচ্ছিল। জাহাজে থাকা নাবিকদের মধ্যে চারজন বাংলাদেশি ছিলেন।
জাহাজটি তুরস্কের জলসীমা অতিক্রম করার সময় ইউক্রেনের ড্রোন বোট থেকে ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণের শিকার হয়। ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে জাহাজে আগুন ধরে যায়। দুই ঘণ্টার মধ্যে জাহাজটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়।
তুরস্কের কোস্ট গার্ডের সদস্যরা জাহাজের ২৫ জন নাবিককে উদ্ধার করেন। উদ্ধারিত নাবিকদের মধ্যে চারজন বাংলাদেশি ছিলেন। তারা হলেন চতুর্থ প্রকৌশলী মাহফুজুল ইসলাম, অয়েলার হাবিবুর রহমান, পাম্প ম্যান আসগর হোসাইন এবং ডেক ক্যাডেট আল আমিন হোসেন।
উদ্ধারিত নাবিকরা তুরস্কের ইজমিত শহরে চিকিৎসা গ্রহণ করছেন। তারা সকলেই সুস্থ রয়েছেন। এই ঘটনার পর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উদ্বিগ্ন। কৃঞ্চ সাগরে এই ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করেছে।
জাহাজে থাকা নাবিকরা বলছেন, তারা মিশরের সুয়েজ বন্দর থেকে রাশিয়ার নভোরোসিস্ক বন্দরে যাচ্ছিলেন। তুরস্কের জলসীমা অতিক্রম করার সময় ইউক্রেনের ড্রোন বোট থেকে ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণের শিকার হয়েছেন। ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে জাহাজে আগুন ধরে যায়। দুই ঘণ্টার মধ্যে জাহাজটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়।
এই ঘটনার পর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উদ্বিগ্ন। কৃঞ্চ সাগরে এই ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করেছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই ঘটনার তদন্ত করছে। এই ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় প্রস্তুত।
এই ঘটনার পর বাংলাদেশ সরকার উদ্বিগ্ন। বাংলাদেশ সরকার এই ঘটনার তদন্ত করছে। বাংলাদেশ সরকার এই ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রস্তুত।
এই ঘটনার পর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উদ্বিগ্ন। কৃঞ্চ সাগরে এই ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করেছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই ঘটনার তদন্ত করছে। এই ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় প্রস্তুত।



