ছুটির দিনে অতিরিক্ত কিছু টাকা উপার্জন করার জন্য অনেকেই অস্থায়ী চাকরি খুঁজছেন। কিন্তু এই বছর এটা খুবই কঠিন হয়ে উঠেছে। ইন্ডিয়ানাপোলিসের একজন পার্ট-টাইম রিটেইল সেলস অ্যাসোসিয়েট বলছেন, তিনি কখনোই ছুটির দিনে চাকরি খুঁজে পাওয়ার জন্য এত কষ্ট করেননি।
তিনি অক্টোবরের শুরু থেকেই চাকরি খুঁজছেন, কিন্তু এখনো পর্যন্ত কোনো সাফল্য পাননি। জাতীয় রিটেইল ফেডারেশনের তথ্য মতে, এই বছর মৌসুমি চাকরির সংখ্যা ২০০৮ সালের মন্দার পর থেকে সবচেয়ে কম হতে চলেছে।
ব্যবসায়ীরা শুল্ক ও ভোক্তা উদ্বেগের মুখে সতর্ক হয়ে উঠছে, যার ফলে মৌসুমি চাকরির সংখ্যা কমে যাচ্ছে। এই বছর খুচরা বিক্রেতারা ২৬৫,০০০ থেকে ৩৬৫,০০০ মৌসুমি কর্মী নিয়োগ করবে, যা গত বছরের তুলনায় কম।
ইনডিড নামক একটি চাকরির সাইটের তথ্য মতে, মৌসুমি চাকরির পোস্টিং গত বছরের মতোই রয়েছে, কিন্তু আরো বেশি লোক মৌসুমি চাকরি খুঁজছে। খুচরা বিক্রয় খাতে, যা সাধারণত মৌসুমি চাকরির জন্য বড় নিয়োগকর্তা, এখন কম সুযোগ রয়েছে।
একজন অর্থনীতিবিদ বলছেন, শ্রম বাজার এখন ‘বরফে জমে যাচ্ছে’। যদি একজন ব্যক্তি মৌসুমি চাকরি পান না, তাহলে তাকে তার ব্যয় কমাতে হবে, যেমন উপহার কেনা বা গাড়ির মেরামত বন্ধ করা।
এই পরিস্থিতি থেকে বোঝা যায়, মৌসুমি চাকরির বাজার এখন খুবই প্রতিযোগিতামূলক। লোকেদের উচিত তাদের চাকরির সন্ধান শুরু করার আগে ভালো করে প্রস্তুতি নেওয়া এবং তাদের দক্ষতা বাড়ানোর চেষ্টা করা।
এই বছর মৌসুমি চাকরির বাজার কেমন হবে তা এখনো পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। কিন্তু একটা বিষয় নিশ্চিত, লোকেদের উচিত তাদের চাকরির সন্ধানের জন্য প্রস্তুত থাকা এবং তাদের দক্ষতা বাড়ানোর চেষ্টা করা।
মৌসুমি চাকরির বাজার সম্পর্কে আরো তথ্য জানতে, আমরা অন্যান্য উত্স থেকেও তথ্য সংগ্রহ করছি। আমরা আশা করি, এই তথ্যগুলো আপনাদের জন্য উপযোগী হবে।
আমরা আপনাদের সাথে আরো তথ্য শেয়ার করব, যখন আমাদের কাছে নতুন তথ্য পাওয়া যাবে।



