বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত একটি গুরুতর সংকটের মধ্যে রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মানসুর সম্প্রতি সতর্ক করেছেন যে খেলাপি ঋণের সংখ্যা কমাতে পাঁচ থেকে দশ বছর লাগতে পারে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল প্রায় ছয় লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা, যা মোট ঋণের পরিমাণের প্রায় ৩৬ শতাংশ।
ব্যবসায়ীরা এই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন। তারা চাই সরকার খেলাপি ঋণের সংখ্যা কমানোর জন্য তাড়াতাড়ি ব্যবস্থা নেয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বলেছেন, খেলাপি ঋণের সংখ্যা কমাতে পাঁচ থেকে দশ বছর লাগতে পারে। তিনি বলেছেন, এই সমস্যা সমাধানের জন্য সরকারকে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করতে হবে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, খেলাপি ঋণের সংখ্যা কমানোর জন্য সরকারকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। তারা বলছেন, যদি খেলাপি ঋণের সংখ্যা কমানো না হয়, তাহলে দেশের অর্থনীতি খুব ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের এই সংকট সমাধানের জন্য সরকারকে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করতে হবে। সরকারকে খেলাপি ঋণের সংখ্যা কমানোর জন্য কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের ভবিষ্যত সম্পর্কে ব্যবসায়ীরা উদ্বিগ্ন। তারা বলছেন, যদি খেলাপি ঋণের সংখ্যা কমানো না হয়, তাহলে দেশের অর্থনীতি খুব ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বলেছেন, খেলাপি ঋণের সংখ্যা কমাতে পাঁচ থেকে দশ বছর লাগতে পারে। তিনি বলেছেন, এই সমস্যা সমাধানের জন্য সরকারকে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করতে হবে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, খেলাপি ঋণের সংখ্যা কমানোর জন্য সরকারকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। তারা বলছেন, যদি খেলাপি ঋণের সংখ্যা কমানো না হয়, তাহলে দেশের অর্থনীতি খুব ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের ভবিষ্যত সম্পর্কে ব্যবসায়ীরা উদ্বিগ্ন। তারা বলছেন, যদি খেলাপি ঋণের সংখ্যা কমানো না হয়, তাহলে দেশের অর্থনীতি খুব ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বলেছেন, খেলাপি ঋণের সংখ্যা কমাতে পাঁচ থেকে দশ বছর লাগতে পারে। তিনি বলেছেন, এই সমস্যা সমাধানের জন্য সরকারকে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করতে হবে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, খেলাপি ঋণের সংখ্যা কমানোর জন্য সরকারকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। তারা বলছেন, যদি খেলাপি ঋণের সংখ্যা কমানো না হয়, তাহলে দেশের অর্থনীতি খুব ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের ভবিষ্যত সম্পর্কে ব্যবসায়ীরা উদ্বিগ্ন। তারা বলছেন, যদি খেলাপি ঋণের সংখ্যা কমানো না হয়, তাহলে দেশের অর্থনীতি খুব ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বলেছেন, খেলাপি ঋণের সংখ্যা কমাতে পাঁচ থেকে দশ বছর লাগতে পারে। তিনি বলেছেন, এই সমস্যা সমাধানের জন্য সরকারকে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করতে হবে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, খেলাপি ঋণের সংখ্যা কমানোর জন্য সরকারকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। তারা বলছেন, যদি খেলাপি ঋণের সংখ্যা কমানো না হয়, তাহলে দেশের অর্থনীতি খুব ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
বাংলাদেশ



